ভাঙ্গুড়ায় গোপন বিয়ের স্বীকৃতি না পেয়ে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা!


ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি ॥ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পাতানো চাচার সাথে গোপনে বিয়ের পর স্বীকৃতি না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক কলেজ ছাত্রী। মেয়েটির নাম সুমি আক্তার (২০)। ঘটনাটি উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের ময়দানদীঘি বাজারে সংঘটিত হয়। আত্মহননকারী সুমি চকদিগর গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে এবং ভাঙ্গুড়া বিএম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। পুলিশ শনিবার লাশটি ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেলা মর্গে পাঠিয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকে পাতানো চাচা ফজেল হোসেন (৫০) পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, ওই ইউনিয়নের পুর্ব রামনগর গ্রামের বাসিন্দা ফজেল হোসেন সুমির বাবাকে ভাইডাকতেন। ফজেল ময়দানদীঘি বাজারের ডিসলাইনের ব্যবসা করেন। সুমি প্রতি মাসে ডিসলাইনের বিলদিতে এসে একে অপরের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। ২০১৮ সালে তারা গোপনে বিয়েও করেন। কিন্তু মেয়েটি ফজেল হোসেনকে চাচা বলে ডাকায় কথাটি গোপন থেকে যায়। কিছুদিন ধরে সুমি মা হতে যাচ্ছে বুঝতে পেরে সে শুক্রবার(২১ মে)ফজলের দোকানে গিয়ে প্রকাশ্যে তাকে স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যেতে বলেন। ফজেল এতে রাজি না হওয়ায় সেখানেই গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন সুমি। ফজেল হোসেন অসুস্থ সুমিকে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পাবনা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন কিন্তু পথে তার মৃত্যু হয়।
ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, শুক্রবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুমির মরদেহ উদ্ধার করেছে। তিনি আরো বলেন, ফজেল এবং সুমি ২০১৮ সালে গোপনে বিয়ে করেন। জনৈক ব্যক্তি তাদের বিয়ের কাবিননামার একটিকপি থানায় পৌঁছে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে পুলিশ থানায় একটি ইউডি মামলা রুজু করেছে। আজ বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *