ইট পরিমাপে কম, ঠকছে ক্রেতা চাটমোহরে অবাধে ফসলি জমির মাটি বিক্রির হিড়িক

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০৮ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২১

চাটমোহর প্রতিনিধি
পাবনার চাটমোহরে ফসলি জমির মাটি বিক্রির হিড়িক পড়েছে। এতে হ্রাস পাচ্ছে জমির উর্বরতা শক্তি। ফলে উপজেলায় ফসলের উৎপাদন হ্রাস পাবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফসলি জমির এই মাটি নেওয়া হচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে স্থাপিত ইটভাটাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির বাড়ির পাশের খাল বা পুকুর ভরাটের জন্য। পুকুর সংস্কারের নামে চলছে মাটি বিক্রি বানিজ্য। অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোন প্রকার পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রতিটি ইটভাটায় পরিমাপে ছোট ইট তৈরি করে তা দেদারছে বিক্রি হলেও কেউই তা দেখছেনা। একাধিক সূত্র জানায় বিভিন্ন স্থানে ম্যানেজ করেই ভাটা মালিকরা এই ইট তৈরি ও বিক্রি করছে। প্রতিটি ইটের দৈর্ঘ্য ১০ ইঞ্চি থাকার কথা সেখানে রয়েছে সর্বোচ্চ সাড়ে ৯ ইঞ্চি। একই অবস্থা প্রস্থের ক্ষেত্রেও। উচ্চমূল্যে ইট কিনে ক্রেতারা ঠকছেন।
সরজমিনে উপজেলার ডিবিগ্রাম,মূলগ্রাম,ফৈলজানা,গুনাইগাছা ও হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল ঘুরে দেখা যায় মাটি বিক্রির এমন চিত্র। এলাকার চিহ্নিত মাটি বিক্রি চক্রের সদস্যরা এস্কেভেটর (ভেকু মেশিন) দিয়ে দেদারছে মাটি কেটে বিক্রি করছে। এসকল মাটি পরিবহণে ব্যবহার করা হচ্ছে ট্রলি। মাটিবাহী ট্রলি ও ট্রাক্টরের বেপরোয়া চলাচলে চরম ঝুঁকিতে অন্যান্য যানবাহন ও পথচারীরা। এসকল ট্রলি ও চ্রাক্টর চলাচলের ফলে চাটমোহর পৌরসভার বিভিন্ন সড়কসহ গ্রামীণ রাস্তা চরমভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে। অথচ এ বিষয়ে প্রশাসনিক কোন পদক্ষেপ নেই।
উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুমবিল্লাহ জানান, ফসল উৎপাদনে সবচেয়ে সহায়ক জমির উপরিস্তরের মাটি। টপ সয়েল বিক্রি করলে আগামী ২০ বছরেও ভালো ফসল উৎপন্ন হবে না জমিগুলোতে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সৈকত ইসলাম বলেন,অভিযোগ পেলেই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। প্রশাসনিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।