ভাঙ্গুড়ায় শ্মশানঘাটে মিলল খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর চাল

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৮, ২০২১

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব,ভিজিডি কর্মসূচির চাল আত্মসাতকালে এলাকারাসীর অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৮৫ বস্তা চাল পরিত্যক্তবস্থায় জব্দ করেছে। জব্দকৃত চালের বস্তা দিলপাশার ইউপি খাদ্য গোডাউনে তালাবদ্ধ শেষে সিলগালা করে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ইউনিয়নের শ্মশানঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৫মার্চ) রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার হাবীব থানা পুলিশের সহায়তায় পরিত্যক্ত অবস্থায় চালের বস্তাগুলি উদ্ধার করেন। তবে ওই পরিত্যাক্ত চালের বস্তাগুলির মালিকানা কেউ দাবি করেনি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন থেকে ওই চাল স্থানীয় দুই ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রি করা হতে পারে।
এলাকাবাসী জানান,উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের মাগুড়া গ্রামের রফিজ মন্ডলের ছেলে খোকন ও হাট উধুনিয়া গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে বাবুল আক্তার গত বৃহস্পতিবার বিকালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে ওই চাল ক্রয় করেন। পরে সরকারি সিলযুক্ত বস্তা পরিবর্তন করে অন্য বস্তা ব্যবহার করেন। এভাবে ওই চালের বস্তাগুলি একটি ট্রলি বোঝাই করে নিয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয় লোকজন বাধা দেন। উপায় না পেয়ে ট্রলির চালক চালের বস্তাগুলো শ্মশান ঘাটের নিকট রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে এলাকাবাসী রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সৈয়দ আশরাফুজ্জামানকে খবর দেন। খবর পেয়ে ইউএনও তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাওছার হাবিবের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাঠান।
এবিষয়ে দিলপাশার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অশোক কুমার ঘোষ পরিষদের স্টোর থেকে চাল বিক্রির কথা অস্বীকার করে বলেন,গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার সুবিধা ভোগীদের মাঝে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণ করা হয়। উপকার ভোগীরাই এই চাল বিক্রি করে থাকতে পারে।
সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ কাওছার হাবীব বলেন,কেউ চালের মালিকানা দাবি না করায় চাল ভর্তি বস্তাগুলো উদ্ধার করে রাতেই ওই ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে সীলগালা করে রাখার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন,তদন্ত করে ভিজিডি’র চাল প্রমান মিললে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।