ঈশ্বরদীর পাগলা রাজার দাম ১৫ লাখ টাকা

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:০৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২২

প্রতিদিন সাত’শ টাকা খোরাকির ষাড়টির নাম ‘পাগলা রাজা’। অস্ট্রেলিয়ান জাতের এই পাগলা রাজাকে প্রায় এক বছর বয়সে ৫৭ হাজার টাকায় কিনে রেজাউল করিম বাড়ি এনেছিলেন। দেশি খাবার চার বছর ধরে খাইয়ে করেছেন মোটাতাজা । পাগলা রাজার এখন ওজন প্রায় ৩৫ মণ। এবারের ঈদে বিক্রির ঘোষণার পর দূর-দূরান্ত হতে প্রতিদিনই ক্রেতারা আসছেন। রেজাউল করিম পাগলা রাজার দাম হাঁকছেন ১৫ লাখ টাকা।

ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মারমী গ্রামের বটতলা মোড়ের বাসিন্দা রেজাউল করিম নিজের বাড়িতে সাড়ে তিন বছর ধরে পাগলা রাজাকে লালন-পালন করেছেন। বিশাল আকৃতির ষাড় গরুটির পরিচর্যা করা খুই কঠিন। রেজাউল করিমের স্ত্রী আসমা বেগম সারাদিন পাগলা রাজার যত্ন নেন। প্রতিদিন গড়ে ৭০০ টাকার খাবার খাওয়াতে হয় ষাঁড়কে। কাঁচা ঘাসের পাশাপাশি খৈল, ভুষি, ভুট্টা ও ধানের কুঁড়াসহ বিভিন্ন খাবার খায় পাগলা রাজা।

রেজাউল করিম জানান, শখের বশে পাগলা রাজাকে পালন করেছি। সাড়ে তিন বছরে খরচই হয়েছে ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা। আশা করছি ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবো। দরদাম করে পাগলা রাজাকে বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে চাই। ষাড়টি হাটে নিয়ে যাওয়া খুব কষ্ট হবে।

আসমা বেগম বলেন, এক বছর বয়স থেকে পাগলা রাজাকে পালন করছি। মায়া জন্মে গেছে। আমার চাহনি ও ঈশারা এখন সব ও বুঝতে পারে। গোয়াল থেকে বাইরে বের করতে ৪ থেকে ৫ জন মানুষ লাগে।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, কোরবানির জন্য এবারে ঈশ^রদীতে ২৩ হাজার ৯৩৫টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের এসব গরু এরই মধ্যে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। বিদেশি উন্নত জাতের বড় ষাড় খামারি ও কৃষকরা পালন করেছেন। এসব গরু বিক্রি করে খামারিদের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।