এবারে ঈশ্বরদী বাজার থেকে দিয়াশালাই/ম্যাচ উধাও

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৫৬ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০২২

বোতলজাত সোয়াবিনের পর এবারে ঈশ্বরদী বাজার থেকে দিয়াশালাই/ম্যাচ উধাও হয়েছে। খুচরা-পাইকারী কোথায়ও এক বাক্স ম্যাচ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে ধূমপায়ীসহ ম্যাচ ব্যবহারকারীরা বেকায়দায় পড়েছেন। কোথায়ও ম্যাচ পাওয়া গেলেও এক টাকার ম্যাচ দুই টাকা আর দুই টাকার ম্যাচ ৩-৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ম্যাচের বিকল্প গ্যাসলাইট বিক্রি বেড়ে গেছে। এই সুযোগে গ্যাসলাইটের দামও বেড়েছে। উপজেলার হাট-বাজার কোথায়ও ম্যাচ নেই।

গত কয়েকদিন ধরেই বাজার হতে ম্যাচ উধাও। মঙ্গলবার ও বুধবার (১৮ মে) শহরের বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় ম্যাচ পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারের পাইকারি বিক্রেতা আখতার হোসের জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ফ্যাক্টরী থেকে ম্যাচ সরবরাহ করা হচ্ছে না। গত কয়েকদিন মজুদ যা ছিলো বিক্রি করে দিয়েছি। এখন কারও কাছে স্টক নেই। খুচরা দোকানদারদের কাছে কিছু স্টক থাকতে পারে। সুযোগ বুঝে তারা বেশী দামে বিক্রি করতে পারে বলে জানান তিনি।

পাইকারি বিক্রেতা মজিবর রহমান বলেন, আমরা সাপ্লাই না পেলে কি করবো। কোম্পানী মাল দিচ্ছে না।
ম্যাচের বিকল্প গ্যাসলাইট বিক্রি বেড়ে গেছে বলে জানান খুচরা ব্যবসায়ী আ্দুল মতিন। তবে গ্রাসলাইটের দামও ৫ টাকা পর্যন্ত বড়েছে। মতিন জানান, পাইকারতেই বেশী দামে কিনতে হচ্ছে ।

ক্রেতা সুরঞ্জন কুন্ডু বলেন, সোয়াবিনের মতো ম্যাচও কারসাজি করে উধাও হয়েছে। গম আমদানির সমস্যার কথা প্রচারের সাথে সাথে বাজারে আটার দাম লাফ দিয়ে বেড়ে গেল। কিযে হচ্ছে বুঝতে পারছি না।
আড়মবাড়িয়ার আলমাস আলী বলেন, ম্যাচ নাই, নাই। এক দোকানে পেলাম, কিন্তু এক টাকার ম্যাচের দাম তিন টাকা।

ঈশ্বরদী বাজারের বড় সরবরাহকারী কাজিম ষ্টোরের আবুল কালাম জানান, ম্যাচ উৎপাদনকারী রকেট ও টুইস্টার কোম্পানীর ফ্যাক্টরী মাসাধিক সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। বন্ধের কারণ প্রসংগে তিনি বলেন, শুনেছি বারুদের দাম বেশী হওয়ায় ম্যাচ বানিয়ে লোকসান হচ্ছে। তাই তারা ফ্যাক্টরী বন্ধ রেখেছে। তবে আকিজ গ্রুপের ফ্যাক্টরী চালু থাকলেও ঈদের পর সরবরাহ নেই।

এবিষয়ে ভোক্তা অধিকারের পাবনা’র সহকারি পরিচালক জহিরুল ইসলাম ম্যাচ উধাও এর বিষয়টি এখনও জানেন না। খোঁজ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে জানান তিনি।