একদামের আগুনে পুড়ছে ক্রেতা

ঈশ্বরদীতে ঈদের কেনাকাটায় মানহীন পন্যে লাগামহীন দাম

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:৪৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৯, ২০২২

ঈশ্বরদীতে জমজমাট ঈদের কেনাকাটা। পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে তৈরি পোশাকের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের চাহিদা মেটাতে ক্রেতাসাধারন পাড়ি জমাচ্ছে মার্কেটের এক দোকান থেকে আরেক দোকানে। ঈদকে সামনে রেখে দোকান সাজিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে লাগাতার বেচা-কেনা করছে দোকান মালিকরা। তবে একদরের দোকানে বেশি প্রতারিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। পণ্যের গুনগত মানের সাথে মুল্যের কোন মিল নেই। কাপড়ের গায়ে অতিরিক্ত মুল্যর স্টিকার লাগিয়ে একদরের নামে লাগামহীন দাম হাকছে।

সরেজমীনে দেখা যায়, বাজারের মার্কেটসহ রেলওয়ের পুরাতন মার্কেট গুলোতেও ক্রেতাদের ভিড়। ছোটদের থেকে শুরু করে বড়দের সকল ধরনের পোশাকের মুল্য আকাশছোঁয়া। রেলওয়ে মার্কেটের এক ব্যাবসায়ী বলেন, গত দুই বছর করোনা মোকাবেলাই দোকান বন্ধ রাখায় অনেক তির সম্মুখীন হয়েছি। তাই এই তি পুষিয়ে নিতে একটু বেশি মুল্য চেয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। তাছাড়া পাইকারি মার্কেট থেকে বেশী দামে কিনতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
শুধু পোশাকই নয়, কসমেটিকসহ জুতা-স্যান্ডেল ও অর্নামেন্টসের দোকানেও ক্রেতা সমাগম। কসমেটিক পণ্যের দামও অস্বাভাবিক। প্রকৃত চামড়ার জুতা-স্যান্ডেল না হলেও ১২০০ টাকা দামের জুতায় ৩৬০০ টাকার স্টিকার মেরে একদরের নামে প্রকাশ্যে প্রতারনা চলছে।

ক্রেতা মাফিয়া জাহান বলেন, দশ রোজার পর একবার মার্কেটে এসে পছন্দনীয় কোন পোশাক পাইনি। রোজার শেষের দিকে ভালো কিছু কিনতে বাজারে এসেছি। কিনতু দোকানদাররা সুযোগ নিয়ে অস্বাভাবিক দাম হাকছে। অথচ পণ্যের গুনগত মান সন্তোজনক নয়।

ময়েজ উদ্দিন বলেন, ঈদের সময় একদামের কয়েকটি দোকানে নিম্নমানের পোশাকে চড়া মুল্যের স্টিকার লাগিয়ে গ্রাহক ঠকানো হচ্ছে। ব্যাবসায়ীদের লাগামহীন দামের কাছে জিম্মি। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এ প্রতারনা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।

এব্যাপারে ভোক্তা অধিকারের প্রসিকিউটার সানোয়ার রহমান খোকন জানান, পাবনা থেকে ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তা এসে কয়েকটি দোকানে জরিমানাও করেছে। তারপরও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। ভোক্তাদেরও সচেতন হয়ে প্রতিবাদ জানানো দরকার বলে জানান তিনি।