পাবনায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক নিহত

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৩১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৮, ২০২১

পাবনা সদরের হেমায়েতপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত বিজয়ী চেয়ারম্যানের লোকজন আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থীর সমর্থক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শামীম হোসেন (৩৫)কে গুলি করে হত্যা করেছে। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ইউনিয়নের নাজিরপুর হাটপাড়া এলাকায় নির্বাচনোত্তর পরবর্তী সহিংসতার এ ঘটনা ঘটে।  পাবনা সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শামীম হোসেন হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম ওরফে নুর আলীর ছেলে। সে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ও পেশায় পরিবহন ব্যবসায়ী।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজির-পুরের একটি চায়ের দোকানে নৌকার পরাজিত প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম মধু, তার মামাতো ভাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শামীমসহ ১০/১২ জন চা পান করছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে ও গুলি চালায়। এ সময় শামীম গুলিবিদ্ধ হয় এবং আরও কয়েকজন আহত হয়। শামীমকে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে।

হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম মধু ইত্তেফাককে বলেন, জামায়াতনেতা  ও নির্বাচনে বিজয়ী আলম হাজীর লোকজন তাদের উপর অতর্কিত হামলা ও গুলি চালালে হেমায়েতপুর উইনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শামীম মারা যায়।

এ ব্যাপারে ঘোড়া মার্কা প্রতীকের বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম ওরফে আলম হাজী সাংবাদিকদের বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোন সম্পর্ক নেই। রিকশা প্রতীকের আরেক পরাজিত প্রার্থী তরিকুল ইসলাম নিলুর সঙ্গে ঝগড়ার কারণে এই হত্যাকাণ্ড।

পাবনা সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রতিপক্ষের গুলিতে হেমায়েতপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শামীম হোসেন মারা গেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। পরে বিস্তারিত জানা যাবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।