ঈশ্বরদীতে ৩৫ গাঁজাসহ আটক ১


ঈশ্বরদীতে দুই দফা পুলিশী অভিযানে দশ লাখ টাকা মূল্যের ৩৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। এঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে জহুরুল ইসলাম (৩২)। সে সাহাপুর ইউনিয়নের বাঁশেরবাদা গ্রামের মৃত মজিবর প্রমাণিকের পুত্র। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাঁজা উদ্ধারের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রবিবার গভীর রাতে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া-বাঁশেরবাদা ঈদগাহ সংলগ্ন স্থানে একটি ট্রাক থেকে ২ বস্তা গাঁজা নামিয়ে ব্যাটারী চালিত ভ্যানে তোলা হয়। মাদকচক্র গাঁজাসহ ভ্যান নিয়ে বাঁশেরবাদা মোড় সংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে অপর একটি পক্ষ গাঁজা গাঁজা বলে চিৎকার করে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

এই ঘটনার খবর সোর্সের মাধ্যমে পুলিশ অবগত হলে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির তাৎনিক ঘটনাস্থলে আসেন। কিন্তু গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী চক্র, ভ্যানচালক ও লুটেরা নিখোঁজ হয়ে যায়।

পুলিশী অনুসন্ধানে গাঁজা এলাকার জহুরুলের হেফাজতে আছে বলে জানা যায়। জহুরুল ফেরার হওয়ায় পরিবারের সদস্যেেদর কথা বলে এবং মোবাইল ফোন ট্রাকিং করে হদিস মিলে জহুরুলের। জিজ্ঞাসাবাদে জহুরুল গাঁজা লুকানোর কথা স্বীকার করলে ১৬ কেজি গাঁজা পুলিশ উদ্ধার করে ।

এই ঘটনার পর সোমবার (১০মে) বিকেলে আবারো অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় একই গ্রামের জরিনা বেগমের (পিতা তফিজ কারিগর) এর বাড়ি তল্লাশি করে ১৯ কেজি গাঁজা ও নগদ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার হয়।

এলাকাবাসী জানায়, লোভে পড়ে গাঁজা লোপাট করতে যেয়ে জহুরুল ধরা খেয়েছে। মূল আসামীরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৬ কেজি গাঁজাসহ জহুরুলকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তারই দেয়া তথ্য অনুযায়ী সোমবার আরো ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। এই মাদকের সাথে তার সম্পৃক্ততার রয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সম্পৃক্ততা না থাকলে গাঁজা লুকিয়ে রেখে সে কেন ফেরার হলো ?

এঘটনায় জহুরুলকে আসামী করে ঈশ্বরদী থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৬(১) সারণির ১৯ (গ)/৩৮/৪১ ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের হয়েছে।

, , , ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *