ছবি আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ের ৭৭তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে মাসব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০২২

রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের প্রকৌশল শাখার উদ্যোগে ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাসব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ের ৭৭তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে ‘প্রজেক্ট ম্যানেজার্স কাপ’ শীর্ষক এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

রূপপুর প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চারশ’র অধিক ক্রীড়াবিদ ১৩টি ক্যাটাগরীতে প্রতিদ্বন্দিতা করছে যার মধ্যে রয়েছে বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, দাবা, ডার্টস, টেবিল টেনিস, ফুটবল, লন টেনিস, বিলিয়ার্ড, বেঞ্চ-প্রেস, টাগ-অফ-ওয়ার এবং আর্ম রেসলিং।
রসাটমের গণমাধ্যম শাখা হতে শনিবার রাতে ক্রীড়া প্রতিযোগীতার কথা জানানো হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক ড শৌকত আকবর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামী ৭ মে প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত এবং দলগত বিজয়ীদের পুরষ্কার প্রদান করা হবে।

প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাকটর এটমস্ত্রয়এক্সপোর্ট (এএসই) এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং রূপপুর এনপিপি নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আলেক্সি দেইরী জানান, “বিশ্বব্যাপী রসাটম প্রকৌশল শাখার যেসকল নির্মাণ সাইট রয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ২০২২ সালে এজাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে”। ক্রীড়া প্রতিযোগিতার এই উদ্দীপনা প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

এমপ্লয়ী এবং অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বিষয়ে এটমস্ত্রয়এক্সপোর্টের ভাইস-প্রেসিডেন্ট নাতালিয়া শাফালোভিচ এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা আনন্দিত যে রূপপুর এনপিপি নির্মান প্রকল্পে ধারাবাহিক ভাবেই ক্রীড়াভিত্তিক বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজিত হচ্ছে, এবং বর্তমান আয়োজনটি এর সত্যতাই আবার প্রমান করলো”। তার মতে এই মুহুর্তে অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদের সংখ্যা ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে, এই প্রতিযোগিতার ফলে প্রকল্পের এমল্পয়ীরা আগের যেকোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সংঘবদ্ধ।

প্রসঙ্গত: পাবনা জেলার রূপপুরে বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে থাকবে প্রতিটি ১,২০০ মেগা-ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দু’টি রুশ ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর। ৩+ প্রজন্মের এই রিয়্যাক্টরগুলো সকল আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে সক্ষম।