লকডাউনের ৪র্থ দিন পাবনায় ছিলো জনসমাগম; যানবাহন চলাচল করেছে অনেক বেশী

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২১

রফিকুল ইসলাম ফরিদ
সারাদেশে গতকাল শনিবার ১৭ এপ্রিল চলছে সর্বাত্মক লকডাউন, কিন্তু পাবনা শহরে জনগণের ছিলো উপচে পড়া ভীড়। দূরপাল্লার বাস না চললেও হরদম চলেছে অটো, সিএনজি, রিক্সা, চার্জার রিক্সা, মটর সাইকেল। প্রথম দিন ১৪ এপ্রিল বুধবার পাবনা শহরে ছিলো পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেটের টহল। পুলিশ মাইকিং করে দোকানপাট বন্ধ করে দিলেও গতকাল শনিবার পুলিশের উপস্থিতি তেমন একটা চোখে পড়েনি। দু’একটি চেক পোষ্টে ২/১ জন পুলিশ সার্জেন্ট ও ট্রাফিক পুলিশ ও পৌর ট্রাফিককে ডিউটিরত অবস্থায় দেখা গেলেও যানবাহন চলাচলে তারা কোন বাধার সৃষ্টি করেননি। লকডাউনের ৩য় দিন শুক্রবার মহিলা এমপি নাদিরা ইয়াসমিন জলির লাইব্রেরী বাজারস্থ বাড়ীতে অফিসের সামনের রাস্তা পুলিশ বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিলেও ৪র্থ দিন বাঁশের ব্যারিকেড না থাকায় যানবাহন চলেছে ¯্রােতের মতো।
পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোড, বড় বাজার, লাইব্রেরী বাজার, মাসুম বাজার, এডওয়ার্ড কলেজ বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ছিলো জনগণের উপচে পড়া ভীড়। পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে অনেক লাইসেন্স ও বাতিবিহীন ইট, বালু ও মাটিবাহী ট্রলি, ভুটভুটি, কুত্তাগাড়ী, ড্রাম ট্রাক শহর ও গ্রামাঞ্চলে দাপিয়ে বেড়ালেও এসব প্রতিরোধে কোন প্রশাসনের কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বা পুলিশকে তৎপর হতে দেখা যায়নি। দেশে করোনার সংক্রামণ হু-হু করে বাড়লেও পাবনা জনগণের মধ্যে কোন সচেতনতা নেই। পাবনার জনগণ রাস্তা দিয়ে হাঁটতে জানেনা। বেশীরভাগ নারী-পুরুষ রংসাইড অর্থাৎ রাস্তার বাম দিক দিয়ে হেঁটে গেলেও ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্টরা কখনো এ ব্যাপারে নাক গলান না। পাবনার প্রধান প্রধান সড়কে পুলিশের টহল পিকআপ গাড়ী, পণ্যবাহী ট্রাক, রোগী বাহী এ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেটকার, মোটর সাইকেল, রিক্সা সাইকেল ও জনগণ ৪র্থ দিনের অর্থাৎ শনিবারের লকডাউনের দিন চলেছে ব্যাপক হারে।
সরকার ১৪ এপ্রিল বুধবার থেকে ২১ এপ্রিল বুধবার পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দিলেও পাবনার জনগণ সরকারী নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে হাটে-বাজারে, মাঠে-ঘাটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মোটকথা ৪র্থ দিনের লকডাউনে পাবনা শহরে জনসমাগম ছিলো অনেক বেশী এবং যানবাহনও চলেছে ১ম, ২য় ও ৩য় দিনের লকডাউনের চেয়েও প্রায় তিনগুণ।