ঈশ্বরদীতে বোতলজাত সোয়াবিন উধাও

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:০৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩০, ২০২২

ঈশ্বরদী শহরের বাজারসহ আশেপাশের হাট-বাজারে বোতলজাত সোয়াবিন উধাও হয়েছে। শনিবার ঈশ্বরদীর পাইকারি ও খুচরা দোকানে কোথায়ও বোতলজাত সোয়াবিন পাওয়া যায়নি। গত ২৮ এপ্রিল থেকেই ঈশ্বরদীতে এই অবস্থা বিরাজ করছে। পুষ্টি, বসুন্ধরা, তীর, ফ্রেসসহ কোন কোম্পানীর বোতলজাত সোয়াবিন এখন বাজারে নেই।

খোলা সোয়াবিন শনিবার বাজারে খুচরা ২০৫ টাকা কেজি এবং পাইকারি ২০১ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। হঠাৎ করেই বৃহস্পতিবার থেকে খোলা সোয়াবিনের দাম বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের ষ্টক গায়েব হয়েছে। বোতলজাত সোয়াবিনের গায়ে যে দাম লেখা রয়েছে, তার চেয়ে খোলা তেলের দাম বেশী। বোতলজাত সোয়াবিন বিগত প্রায় ১৫ দিন আগে সরবরাহ হওয়ায় দাম বর্তমান মূল্যের চেয়ে অনেক কম। যেকারণে অনেক খুচরা ব্যবসায়ী বোতলজাত সোয়াবিন টিনে ঢেলে খোলা সোয়াবিন হিসেবে বিক্রি করছে। বসুন্ধরার সোয়াবিনের ডিলার খুবই স্বল্প পরিমাণ খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করলেও বোতলের গায়ের খুচরা দাম নিচ্ছে। তবে বাজারের ৫-৬জন পাইকারী ব্যবসায়ীর গুদামে বিপুল পরিমাণ বোতলজাত সোয়াবিন মজুদ রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খুচরা ও পাইকারি এবং ভোক্তাদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে তেল কিনতে আসা ভোক্তা হাবিবুর রহমান বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দামই বেশী। এরইমধ্যে আরেক দফা সোয়াবিনের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বোতলজাত তেল বাজার শুণ্য হওয়ায় ঈদের আগমূহুর্তে চরম বেকায়দায় পড়েছি। মজুদদারদের গুদামে অভিযান পরিচালনার দাবী জানান তিনি।

ভোক্তা অধিকারের প্রসিকিউটর সানোয়ার হোসেন খোকন জানান, এখন সব অফিস বন্ধ হয়ে গেছে। তবে আইনে ভোক্তাদেরও অধিকার রয়েছে। যেসব মজুদারের গুদামে তেল মজুদ রয়েছে, ভোক্তারা তাদের অধিকার প্রয়োগ করে সেসব গুদামে যেয়ে তাদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।