রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই-রসাটম

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:১৮ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২২

‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মানের ক্ষেত্রে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি এবং কাজের শিডিউলে কোন বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।’ মঙ্গলবার রাতে রূপপুর প্রকল্প নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রিয় পারমাণবিক সংস্থা (রসাটম) প্রেরীত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের কারণে রাশিয়ার বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে রাশিয়া আর্থিকভাবে বেশ চাপে পড়তে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। তবে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর এর প্রভাব পড়বে না বলে রসাটম আশ্বস্ত করেছে ।

রসাটম জানায়, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে অচলাবস্থার আশংকা নেই। এই ইস্যুতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজে কোনো ধরনের প্রভাব পড়বে না। নির্ধারিত সময়েই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে । সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০২৩ সালেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালুর কথা রয়েছে।

রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় দেশে প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মাণ হচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নসহ সার্বিক কর্মকান্ড দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে বলে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। ২০২১ সালের অক্টোবরে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের মূল অংশ রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল বা পরমাণু চুল্লি স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ইউনিটের কাজও সমানগতিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালিত হবে। আর দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে ২০২৪ সালে।
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে ৯০ শতাংশ বিনিয়োগ করছে রাশিয়া। ইউক্রেনে অভিযান দীর্ঘমেয়াদী হলে তার প্রভাব বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের ওপরও পড়তে পারে- এমন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই শঙ্কা দূরীভূত করার জন্য রসাটমের পক্ষ হতে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থার স্থানীয় কনসালটেন্স জানিয়েছে।