নেই স্বাস্থ্য বিধির বালাই, হাতাহাতি-মারামারির ঘটনাও ঘটছে

করোনার টিকা নিতে ঈশ্বরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেসামাল ভীড়

ডেইলি ভিশন টুয়েন্টিফোর অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৩৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০২২

করোনার টিকা নিতে প্রতিদিনই বেসামাল ভীড় হচ্ছে। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকায় বিশৃংখলাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। হাসাপাতালে বুধবার (১২ জানুয়ারী) থেকে ৪টি বুথ খোলা হলেও ভীড় সামাল দেয়া যাচ্ছে না। নেই স্বাস্থ্য বিধির বালাই। কেউই মানছে না সামাজিক দুরত্ব। টিকা নিতে এসে ভীড়ের কবলে পড়ে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে করোনায় আক্রান্ত বৃদ্ধির সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের টিকা নিশ্চিত করতে এই বেসামাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার এবং বুধবার ভীড় ও ঠোলাঠেলি করতে যেয়ে কয়েকদফা হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনাও ঘটেছে।

সরেজমিনে বুধবার ঈশ্বরদী হাসপাতালে এসব চিত্র দেখা গেছে। এই অবস্থায় বুথের সংখ্যা বৃদ্ধি অন্তত:পক্ষে ১০টি বুথ খোলা প্রয়োজন বলে বিশিষ্ঠজনরা মনে করছেন। লোকবল কম এবং এসি রূমের অভাবে বেশী পরিমাণ বুথ খোলা সম্ভব হচ্ছে না বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। তবে বিশৃংখলা এড়াতে বৃহস্পতিবার থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। এদিকে ভীড় ও চেঁচামেচিতে হাসপাতালের সাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি ও আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা বেসামাল হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আসমা খান জানান, হাসপাতাল ছাড়াও ৭টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে ৩টি ওয়ার্ডে ৪০০ জনকে টিকা দেয়ার কথা থাকলেও ৬০০/৭০০ জনকে টিকা দেয়া হচ্ছে। হাসপাতালে মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে ৪টি বুথ বুধবার থেকে খোলা হয়েছে। মঙ্গলবার ২,৩০০ এবং বুধবার ২,৪০০ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় দুই ডোজের সিনোভ্যাক্সের টিকা দেয়া হচ্ছে। সেই সাথে ফাইজারের বুস্টার ডোজ চলছে। স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা, বিশৃংখলা ও হাতাহাতি এড়ানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

বুথের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে সরকারি এস এম মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আইনুল ইসলাম বলেন, এজন্য এসির প্রয়োজন হলে আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবস্থা করতে পারি। তাছাড়া স্থানীয় বিত্তবানদের স্মরণাপন্ন হলে তাঁরাও সরবরাহ করবেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার পি এম ইমরুল কায়েস বরেন, টিকা গ্রহনে বেসামাল ভীড়, বিশৃংখলা এবং হাতাহাতির ঘটনা আমি শুনেছি। বৃহস্পতিবার থেকে পুলিশ ও আনসার মোতায়েনের জন্য সংশ্লিষ্ঠ সংস্থার সাথে যোগাযোগ করছি।